Your Website
Facts About North Korea

উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে অজানা তথ্য -গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়

পৃথিবীর দুর্গম কয়েকটি দেশের নাম যদি বলা হয় তাহলে সবার প্রথমেই আসবে উত্তর কোরিয়ার নাম। হাইড্রোজেন বোমা ফাটিয়ে সম্প্রতি এই দেশটি সারা পৃথিবীর সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। কয়েক দশক ধরেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিতরকের পর বিতর্কে জড়িয়েছে সে দেশের লাল শাসকেরা। এই দেশের মধ্যে কি ঘটে চরম গোপনীয়তার প্রাচীর ডিঙিয়ে প্রায় কিছুই বাইরে আসে না।-Facts About North Korea

বহির্বিশ্বের হাওয়াও ঢোকা এই দেশে নিষিদ্ধ। তারপরেও ফাঁকফোকর দিয়ে যেটুকু তথ্য বাইরে আসে সেটুকু শুনলে আপনি কেবল অবাকই হবেন না আপনার শরীর হিম হয়ে যাবে এসব কথা শুনে। আমাদের আজকের পোস্টে উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং তাদের অদ্ভুত সব নিয়মকানুন সম্পর্কে অজানা সমস্ত তথ্য উপস্থাপন করা হলো।

উত্তর কোরিয়া উত্তর-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। যা করিও উপদ্বীপের উত্তর অর্ধাংশ নিয়ে গঠিত। এর সরকারি নাম গণতান্ত্রিক প্রজাতান্ত্রিক কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার উত্তরে গণচীন। উত্তর-পূর্বে রাশিয়া, পূর্বে জাপান সাগর, দক্ষিনে দক্ষিণ কোরিয়া, এবং পশ্চিমে পিচ সাগর অবস্থিত।

দেশটির আয়তন ১,২০,৫৪০ বর্গ কিলোমিটার। উত্তর কোরিয়া রাষ্ট্রটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে সোভিয়েত সামরিক বাহিনী কোরীয় উপদ্বীপের উপরের অর্ধাংশ নিয়ন্ত্রণ করছিল। ১৯৫০ এর দশকের করিও যুদ্ধের পর থেকে এটি সমাজতান্ত্রিক শাসনের অধীনে রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার রাজধানী এবং বৃহত্তম শহরের নাম পিয়ং ইয়ং। চীন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার তুলনায় উত্তর কোরিয়াতে ভূমিকম্পের প্রকোপ কম।

১৯১০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত অবিভক্ত করিয়া মূলত জাপানিদের দখলে ছিল। বিভক্ত করিয়া কে সংযুক্ত করনের লক্ষ্যে ১৯৫০ সালে ২৫ জুন উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়াকে আক্রমণ করে। অবশেষে ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধ বিরোধী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উত্তর কোরিয়ায় জনসংখ্যা সংগঠন একেবারেই সরল। সংখ্যা ঘনিষ্ঠ হচ্ছে করিও সম্প্রদায়। আরো রয়েছে জাপানি প্রবাসী চীনা ইত্যাদি। কোরীয় কেন্দ্রীয় গণমাধ্যম ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ রিপোর্ট অনুসারে ২০০৮ সালের ১০ই জানুয়ারি উত্তর কোরিয়ার মোট জনসংখ্যা দ্বারায় ২ কোটি ৪০ লাখ এর বেশি। কোরীয় ভাষা উত্তর কোরিয়ার জাতীয় ভাষা। এখানকার প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ এই ভাষা ব্যবহার করে।

উত্তর কোরিয়াতে ভাষাগত বৈচিত্র নেই বললেই চলে। উত্তর কোরিয়ায় অর্থনীতি মূলত পর্যটন ভিত্তিক। এদেশের অর্থনীতি হচ্ছে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পিত অর্থনীতি। সেইসাথে বিশ্বের স্বতন্ত্র অর্থনীতির মধ্যে একটি। পিয়াং ইয়াং মেট্রো হচ্ছে এমন এক ধরনের দ্রুতগতি সম্পন্ন পাতাল রেল ব্যবস্থা যা কিনা উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ং ইয়াং অবস্থিত। এতে রয়েছে দুইটি লাইন। প্রতিদিন এতে দুই লক্ষ হতে সাত লক্ষ মানুষ চলাচল করে। পিয়ং ইয়াং মেট্রো হচ্ছে দুনিয়ার সবচেয়ে গভীর পাতাল রেল।

উত্তর কোরিয়ার আইন কানুন

এবার আসুন জেনে নেয়া যাক উত্তর কোরিয়ায় কিছু অদ্ভুত আইন। ২০১৭ সালের মার্চ এর দিকে পার্ক নামক একজন উত্তর কোরিয়ান মেয়ে সরকার কিম জন উন এর সর্বগ্রাসী খাঁচা থেকে পালিয়ে এসে উত্তর কোরিয়ার বেশ কিছু অদ্ভুত শাসনের কথা মিডিয়ার সামনে প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। তখন থেকে সারা বিশ্বের উত্তর কোরিয়া শাসনের দিকে গণমানুষের নজর চলে যায়।

উত্তর কোরিয়ায় বাইবেলকে পশ্চিমা সংস্কৃতির অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই বাইবেল রাখাকে অবৈধ বা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জানা যায় কোন এক মহিলা এখানে বাইবেল বিতরণ করার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল। উত্তর কোরিয়ার প্রত্যেকটি বাড়িতে বসানো রয়েছে সরকারি রেডিও। যা ২৪ ঘন্টাই চলে।

পৃথিবীর মধ্যে উত্তর কোরিয়া এমন একটি দেশ যা নরকের সাথে তুলনা করা হয়। কিম জং উন উত্তর কোরিয়াতে এমন কিছু শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছে যা এই দেশের মানুষ না চাইলেও তাদেরকে সেই সব আইনগুলোকে বাধ্য হয়েই মানতে হবে। এই শাসনের বাইরে উত্তর কোরিয়ার কোন মানুষ যেতে পারে না।

আমাদের দেশ তথা পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই শতাধিক টিভি চ্যানেল রয়েছে এবং আমরা যেটা খুশি সেই চ্যানেল দেখতে পারি। কিন্তু উত্তর কোরিয়াতে এটি কখনোই সম্ভব নয়। এদেশে শুধুমাত্র তিনটি চ্যানেল রয়েছে এবং এই চ্যানেলগুলোতে তাই দেখানো হবে যা এই দেশের সরকার নির্দেশ দিবে। যথাযথ হই এই চ্যানেল গুলিতে সারাদিন শুধু সরকারের গুনগান করা হয়। আসলে এই দেশে সরকার চায় না যে তাদের দেশের জনগণ বাইরের কোন দেশের খোঁজ খবর রাখুক।

যখন পুরো পৃথিবী একটি নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার অনুসারে চলছে। তখন উত্তর কোরিয়া চলছে তাদের নিজেদের তৈরি করা ক্যালেন্ডার অনুসারে। যখন সারা পৃথিবীতে ২০২২ সাল চলছে তখন নর্থ কোরিয়া তে চলছে ১১০ বছর।

আমাদের দেশে আপনি যেমন ইচ্ছা সেভাবেই চুলের ডিজাইন করতে পারবেন। কিন্তু উত্তর কোরিয়াতে এমনটি কখনোই করা সম্ভব নয়। নর্থ কোরিয়ার মানুষ কখনোই নিজেদের ইচ্ছেমতো চুল কাটতে পারে না। প্রত্যেককে চুল কাটতে হবে কিম এর নিয়ম অনুসারে। ২৮ ধরনের চুল কাটার অনুমোদন রয়েছে উত্তর কোরিয়ায়। এর মধ্যে মেয়েদের জন্য রয়েছে ১৮টি ডিজাইন এবং ছেলেদের জন্য রয়েছে দশটি ডিজাইন। এইসব ডিজাইন এর বাইরে কেউ চুল কাটালে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ২০১৩ সালে কিম জং উন এই অদ্ভুত আইন টি পাস করেছিল। এমনকি কিম এর চুলের স্টাইল কেউ কপি করতে পারবেনা। তিনি তার চুলের স্টাইলকে ইউনিক রাখতে চান। নর্থ কোরিয়ার মেয়েরা কখনোই বড় করে চুল রাখতে পারে না। পুরুষরা যদি ৫ সেন্টিমিটার এর বড় চুল রাখে তাহলে তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

পৃথিবীর সমস্ত দেশেই প্রায় বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি করানোর পর তাদের বসার টেবিল চেয়ার এর ব্যবস্থা স্কুল কর্তৃপক্ষ করে থাকে। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রে স্কুলে বাচ্চাদের পাঠানোর আগে তাদের বসার জন্য টেবিল চেয়ার অভিভাবক কেই কিনে দিতে হবে। এছাড়া স্কুলের নির্ধারিত ফি তো থাকবেই। উত্তর কোরিয়াতে বাচ্চাদের স্কুলে থাকাকালীন লেবার এর কাজ করানো হয়। এখান থেকে যা উপার্জন হয় তা দিয়ে স্কুল ফি পরিশোধ করা হয়।

উত্তর কোরিয়াতে ৮ জুলাই এবং ৭ ডিসেম্বর কোনভাবেই দেশের কোন নাগরিক চাইলেও কোনরকম অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারে না। তা সেটা জন্মদিনই হোক বা বিয়ের অনুষ্ঠানই হোক। কারণ উত্তর কোরিয়ার এই দিনগুলোতে মহান নেতা কিম ইলসাং এবং কিম জন ইল মৃত্যু বরণ করেছিল।

উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য ব্লু জিন্স পরা একেবারেই নিষিদ্ধ। এদেশের সরকার মনে করেন ব্লু জিন্স পরা আমেরিকার কালচার এবং তারা পশ্চিমা সংস্কৃতি একেবারেই পছন্দ করে না। তবে টুরিস্ট রা চাইলে শহরে ব্লু জিন্স পড়ে ঘুরতে পারেন। তবে শহরের মেমোরিয়াল হল এ ঢুকতে হলে তাদেরকে অন্য কালারের প্যান্ট পড়তে হবে।

সারা বিশ্বেই সাপ্তাহিক ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে শুক্রবার শনিবার অথবা রবিবার। অথচ উত্তর কোরিয়াতে কোন সাপ্তাহিক ছুটি নেই। উপরস্থ এই দেশে সপ্তাহের ছয় দিনের বেতন প্রদান করা হবে। সপ্তম দিনের বেতন কর্তন করে তা দেশের উন্নয়নমূলক কাজে দেয়া হবে।

পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই মানুষ চাইলে তাদের পছন্দের গাড়ি কিনতে পারে। কিন্তু উত্তর কোরিয়াতে কোন মানুষ চাইলেও তাদের পছন্দের গাড়ি কিনতে পারেনা। এই দেশে সাধারণ মানুষের জন্য গাড়ি ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন সরকার প্রধান কিম জং। এদেশে শুধু সরকার সেনাবাহিনী এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। যার জন্য পুরো উত্তর কোরিয়াতে মাত্র ১০০ টির মত গাড়ি রয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ি কম থাকার ফলে এই দেশের রাস্তাঘাট একদমই ফাঁকা থাকে। সাধারণ মানুষ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করে যাতায়াত করে থাকেন।

উত্তর কোরিয়াতে সাধারণ মানুষ ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করতে পারেনা। এই দেশে কেবল মিলিটারি অফিসার এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রাই ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করতে পারে। এই দেশের সরকার চায়না যে দেশের জনগণ ইন্টারনেট এর মাধ্যমে বাইরের দেশের খোঁজখবর রাখুক।

উত্তর কোরিয়াতে মাত্র ২৮ টি ওয়েবসাইট এক্সেস করার অনুমতি রয়েছে। তাও আবার এসব সাইটের উপর সরকারের ২৪ ঘন্টায় নজরদারি রয়েছে। এদেশে apple মাইক্রোসফট এবং সনি এর মতো বড় বড় টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোকে ব্যান করা হয়েছে।

এই দেশে কম্পিউটার কিনলেই সরকারের পারমিশন নেয়া লাগে। এই দেশে কম মিয়াও নামে ইন্টারনেট সার্ভিস রয়েছে এবং রেড স্টার নামে তাদের নিজেদের কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। এসবের মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেট এক্সেস করতে পারবেন। ২০০৭ সালে এই দেশে একজন নাগরিক সরকারের নিয়ম অমান্য করে একটি আন্তর্জাতিক কল করেছিল। তার জন্য তাকে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল।

উত্তর কোরিয়াতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যেকটি বাড়িতে রেডিও প্রদান করা হয়েছে। আপনার ভালো লাগুক কিংবা না লাগুক এই রেডিওতে একটি মাত্র চ্যানেল রয়েছে যেটি দিনের একটি নির্দিষ্ট অংশে বাধ্যতামূলকভাবে চালু রাখতে হবে। এই রেডিওর মাধ্যমে দেশের নতুন নতুন নিয়ম কানুন এর ঘোষণা দেয়া হয়। এই রেডিও কে কেউ বন্ধ করতে পারবে না।

নর্থ কোরিয়াতে রয়েছে থ্রি জেনারেশন রুলস। অর্থাৎ কেউ যদি কোন নিয়ম ভাঙ্গে তাহলে তাকে তো জেলে ঢোকানো হবেই এর সাথে এর বাবা এবং দাদু কেউ জেলে ঢোকানো হবে। আর যদি কোন বাবা আইন ভাঙ্গে তাহলে তার ছেলে এবং তার বাবাকে একসাথে জেলে ঢোকানো হবে।

দৈনন্দিন জীবনে আমরা মোবাইল দিয়ে হাজারটা ছবি তুলে থাকি। কিন্তু উত্তর কোরিয়ায় সেটি সম্ভব নয়। এই দেশে গরিবদের ছবি তোলা নিষিদ্ধ। কোন টুরিস্ট বা ভ্রমণরত ব্যক্তি এদেশের গরীবদের ছবি তুলতে পারবে না। এমনকি গরীব মানুষের সাথে কোন টুরিস্ট কথাও বলতে পারবেন না।

ভ্রমণরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করা এই দেশে একদম নিষিদ্ধ। কোন টুরিস্ট ভ্রমণরত অবস্থায় এই দেশে সেলফি তুলতে পারবেন না। টুরিস্ট এই দেশে প্রবেশ করার সময় এয়ারপোর্ট থেকেই তাদের মোবাইল জমা নেয়া হয়। ভ্রমণ শেষ সে ফিরে যাওয়ার সময় আবার সেই মোবাইল ফেরত দেয়া হয়। অর্থাৎ দেশের ভেতরের কোন তথ্য আপনি কোনভাবেই বাইরে নিয়ে যেতে পারবেন না।

উত্তর কোরিয়া দেশটি পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি দেশ। এই দেশের মানুষ পুরো পৃথিবী সম্পর্কে তেমন কোন ধারনাই রাখে না। মূলত এই দেশের সরকার এই দেশের মানুষদের পুরো পৃথিবী সম্পর্কে কিছুই অবগত করতে চায় না। দেশের রেডিও টিভি চ্যানেল এবং সংবাদ পত্রিকায় সেসব নিউজ প্রকাশ করা হয় যা সরকার অনুমতি দিয়ে থাকে।

উত্তর কোরিয়ার যেকোন নাগরিক ভালোভাবে কিম সাং ইল লিখতে পারলে তাকে শিক্ষিত হিসেবে গণ্য করা হয়। এদেশে প্রত্যেকটি নাগরিকের বাসায় উত্তর কোরিয়ার লিডারদের ছবি রাখা বাধ্যতামূলক। শুধু ছবি রাখলেই হবে না সেগুলোর যত্ন করতে হবে ভালোভাবে। যদি ছবির মধ্যে কোন ধুলোও থাকে তাহলে তাকে যাবত জীবন সাজা দেয়া হয়।

এদেশের বাড়িঘর বিল্ডিং সরকারের নির্ধারিত কালারে রং করতে হবে। এর বাইরে কেউ পছন্দ অনুযায়ী কালার দিয়ে নিজের বাড়ি সাজাতে পারবেন না। আসল কথা বলতে গেলে উত্তর কোরিয়ার কোন মানুষই তাদের নিজেদের ইচ্ছেমতো কোন কিছুই করতে পারে না।

উত্তর কোরিয়াতে প্রতি পাঁচ বছর পর পর নির্বাচন হয়ে থাকে। প্রতিবার এর নির্বাচনে প্রার্থী থাকে মাত্র একজন আর তিনি হচ্ছেন কিম জং উন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ থাকেনা এবং ভোট তাকেই দিতে হয়। এই নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার ক্ষমতা পুরো দেশে কারোরই নেই। মূলত দেশের প্রত্যেকটি নাগরিক তাকে দেখে অত্যন্ত ভয় পায়। যার ফলে প্রতিবারই কিম জং ১০০% ভোট পেয়ে জয়লাভ করে।

উপরিউক্ত নিয়ম কানুন এর বাইরে ও অনেক শাসনব্যবস্থা রয়েছে যা এখনো বাইরে দেশের সকলের কাছে অজানা। তাই এই নিয়মগুলো আমাদের কাছে হাস্যকর মনে হলেও উত্তর কোরিয়ার মানুষ রয়েছে খুবই কষ্টের।

আরো দেখুনঃ 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top