Your Website
Baby Care Tips

শিশুদের জন্য গ্রীষ্মকালীন ছয়টি স্কিন কেয়ার টিপস

শিশুদের ত্বক প্রাপ্তবয়স্কদের ত্বকের তুলনায় অনেক নরম এবং খুবই সূক্ষ্ম ।যার কারণ শিশুরা বড়দের চেয়ে অনেক বেশি গ্রীষ্মের শিকার হয়, ফলে এই কারণেই এটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ত্বকের চেয়ে ৫ গুণ ক্ষুদ্র আদ্রতা হারায় একজন শিশু ,তাই বছরের এই সময়ে শিশুদের জন্য ত্বকের যত্নের সর্বোত্তম পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে প্রত্যেক পিতা-মাতার ।শিশুদের গ্রীষ্মকালে একটু বেশি যত্নের প্রয়োজন হয় । Baby Care Tips 

গ্রীষ্মের দিনগুলি কারোর পক্ষেই কখনো সহজ নয় ,বিশেষ করে সারা বিশ্ব জুড়ে বর্তমানে ক্রমবর্ধিত তাপমাত্রার সাথে আপনার বাচ্চার ক্ষেত্রেও আলাদা নয় ,এবং একজন নতুন অভিভাবক হিসেবে গ্রীষ্মের সময় আপনার বাচ্চাকে কিভাবে শীতল রাখা যেতে পারে সে ব্যাপারে উদ্বিগ্ন এবং চিন্তিত হতে আপনি বাধ্য।

অধিকাংশ মা-বাবাদের মধ্যে এ ব্যাপারে এ ধরনের প্রশ্ন গুলি মনে আসে, তা হলো তাদের বাচ্চাকে এ সময় কি খাওয়ানো যেতে পারে্‌ ,অথবা কতবার থাকে স্নান করানো যেতে পার্‌, হ্যাঁ আপনার ঠাকুমা হয়তো এই সময় বাচ্চার গায়ে বেড়ানোর জন্য কিছু খাঁটি ঘরোয়া প্রতিকারের খোঁজ দিতে পারেন । আপনি বিভিন্ন লোকের থেকে একাধিক উপদেশ ও পরামর্শ পেয়ে থাকতে পারেন ।আমরা এখানে আছি পরামর্শের মাধ্যমে আপনাদের পথ গড়ে তুলতে, এবং আপনার ছোট্ট ছোট সোনা মনিকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে।

এই সময়ে একটি শিশুকে মানুষের জন্য আপনি কি তেল ব্যবহার করতে পারেন

বেবি ওয়েল দিয়ে মালিশ করা আপনার ছোট্ট সোনা ত্বকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, একটি বিষয় সময়ে তার ত্বককে রাখবে হাইড্রেট এবং শীত্‌, শুধু এমন একটি তেলকে বেছে নেওয়ার নিশ্চিত করুন এবং সেটি ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা যাবে । এই বিষয়টি মাথায় রাখবেন যে যদি শিশুদের উপর লাগানো তেলটি খুব বেশি সময় ধরে রেখে দেয়া হয় ,তবে তা তাদের লোমকূপ গুলিকে অবরুদ্ধ করে দিতে পারে এবং পদার্থ নির্গত হতে দেবে না।

শিশুদের যত্নে করনীয় 

১- গরমে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে এবং ধুলাবালি থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখতে হবে। বাইরে বের হলে শেষের জন্য কি সত্য খাবার পানি সব সময় সঙ্গে রাখতে হবে

২-শিশু ঘেমে গেলে ঘাম মুছে দিতে হবে শরীরের ঘাম শুকিয়ে গেলে শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে

৩-গরমে যতটা সম্ভব নরম খাবার খাওয়ানো ভালো

৪- যে সত্য পরিষ্কার রাখতে হবে যেন রেস জাতীয় সমস্যা না হয়

৫- গরমে শিশুকে প্রচুর পানি খাওয়াতে হবে যেন প্রস্রাবের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে

৬- সদ্য জাত শিশুকে হবে সব সময় ঢেকে রাখতে হবে যেন তাদের শরীর অসুস্থ থাকে তবে খেয়াল রাখতে হবে সে যেন ঘেমে না যায়

গরমের সময়টাতে মশা মাছি পিঁপড়া ইত্যাদি পোকামাকড়ের প্রকোপ দেখা যায় এগুলো আপনার শিশুর অসুস্থতার কারণ হতে পারে। আপনার ঘরকে এসব পোকামাকর মুক্ত রাখতে এরোসল বা অন্য কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।।

সে যেন কোনোভাবেই এগুলো নাগাল না পায় , গরমের বাচ্চার শরীরে ঘাম হবে এটাই স্বাভাবিক , এটা ধরে নিয়েই আপনাকে গরমের প্রস্তুতি নিয়ে চলতে হবে , প্রচন্ড গরমের কারণে এই সময় ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা যায় । কিন্তু কিভাবে এই সর্বনাশা থেকে বাঁচাতে নিয়মিত সাধারণ খাবারের পাশাপাশি তরুল খাবার খেতে দিন।

সরাসরি স্যালাইন কিংবা তরল পানিও খেতে না চাইলে খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ানোর অভ্যাস করুন ।এছাড়া বাজারে প্রচুর পরিমাণ গ্রীষ্মকালীন ফল পাওয়া যায় , আপনার বাচ্চা যে ফলটি পছন্দ করে সেটাই তাকে খেতে দিন । বাজারে পাওয়া যাওয়া বোতল জাত জুশ কোনভাবে শিশুকে খেতে দেওয়া উচিত নয়।

গ্রীষ্মের এই দিনগুলোতে আপনার শিশুর সুস্থতা আপনি নিজেই নিশ্চিত করতে পারবেন , যথাযথ যত্ন নিয়ে তার সুস্বাস্থ্য এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।

আরো দেখুনঃ

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top